
গত কয়েক দিন ধরে খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনিতে এক গৃহবধু কে জোর পূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আর সেই অভিযোগের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হতে দেখা যায়। পরবর্তীতে আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়। মুখোরচক গল্প হিসেবে স্থান পায় ফেসবুক থেকে চায়ের দোকান পর্যন্ত। তবে প্রশাসন নিরব কেন এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। ঘটনার জন্ম, উপজেলার কপিলমুনির নাছিরপুর গ্রামের পালপাড়া সংলগ্ন পিযুষ মন্ডলের ভাড়াবাড়িতে। স্থানীয়রা বলছেন, ওই বাড়িতে পার্শ্ববর্তী লতা ইউনিয়নের এক বাসিন্দা ভাড়া থাকতেন। স্বামী এনজিও কর্মী ও স্ত্রী স্থানীয় বিউটি পার্লারে কাজ শিখতেন। ওই নারীর স্বামী কিছুদিন আগে বদলী জনীত কারণে অন্যত্রে থাকেন। সম্প্রতি সকালে ওই বাসার আরেক ভাড়াটিয়া অশোক সাধু ওরফে নাটো ছেলে মাদকাসক্ত মৃত্যুঞ্জয় সাধু(৪০) ওই নারীকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে রুমে নিয়ে যায়, এসময় চেতনানাশক স্প্রে করে ধর্ষণ করে বলে জানাযায়। এখানেই শেষ নয়, সে ওই নারীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড করার হুমকি দেয়।
এদিকে ঘটনা এক কান থেকে অন্যকানে যেতে থাকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার পেতে থাকে। বিষয়টি ফেসবুকের কল্যাণে খুব দ্রুত মুখোরোচক গল্প হয়ে ওঠে। ধর্ষক মৃত্যুঞ্জয়ের ছবি দিয়ে অনেকই শেয়ার করেন, এবং ওই শেয়ার করা পোস্টে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা কমেন্ট ও লাইক করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ধর্ষক হিসেবে মাদকাসক্ত মৃত্ত্যূঞ্জয় সাধু নাম বার বার আলোচনায় উঠে আসছে। সবার মাঝে প্রশ্ন দেখা দেয় কে এই মৃত্যুঞ্জয় সাধু? এ প্রশ্নের অনুসন্ধানে জানা যায়, ধর্ষক বেকারি ব্যবসার আড়ালে মাদক ও যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করে প্রভাবশালী হয়েছে। কপিলমুনি বাজারে মেইন সড়ক সংলগ্ন সাথী ষ্টোর বেকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজস্ব বাড়ি নাছিরপুর গ্রামে। আত্মকে স্থানীয় মহিলা সহ অবিভাবকেরা। বিষয়টি কপিলমুনিতে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।