ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ভালুকার হবিরবাড়ী এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ওই ঘটনায় পৃথক অভিযানে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে সাতজন।
থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তাররা হলেন মো. আজমল হাসান সগীর (২৬), মো শাহিন মিয়া (১৯) ও মো. নাজমুল (২১)।
আজমল ও শাহিনের বাড়ি ভালুকায়। আর নাজমুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) এবং মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ শনিবার এসব তথ্য জানান।
অন্যদিকে, র্যাবের হাতে গ্রেপ্তাররা হলেন তারেক হোসেন (১৯), লিমন সরকার, মানিক মিয়া (২০), এরশাদ আলী (৩৯), নিঝুম উদ্দিন (২০), আলমগীর হাসেন (৩৮) এবং মিরাজ হোসেন আকন (৪৬)।
শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহের র্যাব ১৪ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব ১৪-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান। তবে গ্রেপ্তারদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস (২৮)-এর বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও কারখানার কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।
পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন দিপুকে কারখানা থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে আসে। ওই সময় গণপিটুনিতে মারা যান দিপু। পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে দিপুর মরদেহ ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।