
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ পড়বেন। অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। রবিবার (২৪ মে) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর দেশের মাটিতে কোরবানি দেবেন তারেক রহমান। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে তিনি কোরবানি দিয়েছিলেন। এরপর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাগারে যান। পরে মুক্ত হয়ে যুক্তরাজ্যে যান। ফলে দেশের মাটিতে আর কোরবানি দেওয়া হয়নি।
তবে ঈদে ঘরমুখী মানুষের ভোগান্তি নিরসনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন তারেক রহমান। এবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কতটি পশু কোরবানি দেওয়া হবে, তা জানা যাবে আরো দু-এক দিন পর।
শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ধানমণ্ডিতে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদীতে, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভোলায় এবং ডিপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এ ছাড়া অধিকাংশ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ সংসদীয় আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কোরআন তিলাওয়াত আয়োজন করা হবে।