শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আইনানুযায়ী রাজস্ব প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাঙালিকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে জাতির পিতা অমর হয়ে রয়েছেন : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী শিক্ষাক্রম নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যাচার করা হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপির নেতৃত্বে মূল্যবোধ নৈতিকতা ও সততার ঘাটতি আছে : হানিফ রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিতে অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করেছেন : ওবায়দুল কাদের সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নিহত বর্তমান সরকারের সময় শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর দেশে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের কোন দাম বাড়ান হবে না : কৃষিমন্ত্রী

কাজিপুরে তীব্র শীতে বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ

টি এম কামাল :
  • আপডেট সময় : 2:00 pm, শনিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৩


পৌষের শুরুতে সিরাজগঞ্জ সহ গোটা উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। কয়েক দিনের হিমেল হাওয়ায় এ অঞ্চলের জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। দিনের বেলায় সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে যানবাহন। বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ।
আজ শুক্রবার সরেজমিন শহর ও গ্ৰাম ঘুরে দেখা যায়, মোড়ে মোড়ে কাজের সন্ধানে আসা শ্রমিকেরা শীতে বসে-দাঁড়িয়ে অলস সময় পার করছেন। কেউবা গুটিশুটি মেরে বসে আছেন, কেউবা জটলা বেঁধে নিজেদের নিত্য অভাবের গল্প করছেন। শ্রমিকেরা জানান, একদিকে নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় কাজ কমে গেছে, অন্যদিকে শীতের কারণে অনেকে কাজ বন্ধ রেখেছেন।
শ্রমিকেরা আরও জানান, গত এক বছরে তাদের মজুরি বাড়েনি, কিন্তু সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। ফলে অল্প মজুরিতে এমনিতেই সংসার চলে না। তার ওপর এখন শীতের কারণে সপ্তাহের বেশির ভাগ সময় কাজ না পেয়ে বসে থাকতে হচ্ছে।
কাজিপুর পৌরসভার আলমপুর গ্ৰামের সেলিম হোসেন বলেন, ‘শীতের কারণে খুব বিপাকে পড়েছি। এখানে যে কয়জন লোক আছে, সবাই কাজে অভিজ্ঞ। কারোরই বসে থাকার কথা না। কিন্তু শীতের কারণে লোকজন কাজ করছে না। ফলে দেখেন আমরা সবাই বসে আছি। একদিকে শীতের কারণে কাজ কম, আবার সারা দিন কাজ করার পরও মজুরি কম।’ বগুড়ার শেরপুরে ধুনট মোড়ে বসে থাকা শ্রমিক হাসান বেগম জানান, তাঁর সন্তানেরা বিয়ে-শাদি করে আলাদা থাকেন। স্বামী অসুস্থ থাকায় সংসারের সব খরচ, ওষুধপত্র তাঁকেই কিনতে হয়। কিন্তু শীতের কারণে চার দিন ধরে কোনো কাজ পাননি। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি।
সোনামুখী বাজারে অটোরিকশা চালক হাবিবুর রহমান জানান, তাঁর দুই ছেলের এক স্কুলে চতুর্থ, অপরজন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। নতুন বছরে স্কুলের খরচ প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা। রাস্তায় এখন লোকজন না থাকায় এই অর্থের কোনো সংস্থান করতে পারেননি। # 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com