,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

কী হলো বিএনপির প্রথম দিনের বৈঠকে?

দুই বছর পর আবারও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা। এর আগে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে বৈঠকে বসেছিলেন বিএনপি নেতারা।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক বিষয়ে মতামত জানতে দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে বিএনপির হাইকমান্ড।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক শেষ হয় রাত ৯টার দিকে। বিএনপির একটি সূত্র বলছে, আলোচনায় উঠে আসে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি, সংগঠন পুনর্গঠন ও আগামী আন্দোলনের কর্মকৌশল কি হবে।
বৈঠক শেষে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা সময় সংবাদকে জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষে হাইকমান্ডের কাছে মতামত তুলে ধরেছেন তারা। এমনকি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে এবং সেই সরকারের অধীনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা; সেসব বিষয়ে উঠে আসে তাদের বক্তব্যে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পরামর্শও দিয়েছেন তারা।
তবে সবার আগে জোর দেয়ার তাগিদ দিয়েছেন, দলীয় প্রধান বেগম জিয়ার মুক্তির বিষয়ে। সেক্ষেত্রে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মতামত তুলে ধরেন নেতারা।
এছাড়াও জোট শরীক জামায়াত ইসলাম নিয়ে বিএনপির অবস্থান কি, তা পরিষ্কার করতে হাইকমান্ডের কাছে জানতে চান বৈঠকে উপস্থিত বেশকয়েকজন নেতা। যেহেতু দেশীও ও আন্তর্জাতিক ছাড়াও বিভিন্ন মহলে জামাতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, সেহেতু এ বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া জরুরি বলে মত দেন তারা।
বৈঠক থেকে আরও জানা যায়, ডান ও বামপন্থি দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে জোট সম্প্রসারণ করার বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন একাধিক নেতৃবৃন্দ। সরকার বিরোধী আন্দোলনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে এক করার পরিকল্পনাও হাতে নেয়ার পরামর্শ ছিলো তাদের
সব মিলিয়ে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের প্রস্তুতি কেমন হবে সেসব বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা।
অন্যদিকে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে আন্দোলনমুখী নেতৃত্বে পূর্ণগঠনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন কেউ কেউ।
রুদ্ধদ্বার এ বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি মহাসচিব জানান, এ সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার মতামত গ্রহণ শেষে তিন দিনের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
দ্বিতীয় দিন বুধবার বৈঠক হবে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক ও সহসম্পাদকদের সঙ্গে এবং পরদিন বৃহস্পতিবার শেষদিনের বৈঠকে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সব মিলিয়ে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের প্রস্তুতি কেমন হবে সেসব বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা।
অন্যদিকে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে আন্দোলনমুখী নেতৃত্বে পূর্ণগঠনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন কেউ কেউ।
রুদ্ধদ্বার এ বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি মহাসচিব জানান, এ সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার মতামত গ্রহণ শেষে তিন দিনের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
দ্বিতীয় দিন বুধবার বৈঠক হবে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক ও সহসম্পাদকদের সঙ্গে এবং পরদিন বৃহস্পতিবার শেষদিনের বৈঠকে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বিএনপির ৫০২ সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন ৩৫ জন। আর চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য রয়েছেন ৭৪ জন।
মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সর্বমোট ৬২ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য।
এর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান, মীর নাসির উদ্দিন, বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন-মনিরুল হক চৌধুরী, মশিউর রহমান, আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, হাবিবুর রহমান হাবিব, লুতফর রহমান খান আজাদ, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, ফজলুর রহমান, শাহজাহান মিয়া, সুকোমল বড়ুয়া, খন্দকার মুক্তাদির আহমেদ, এসএম ফজলুল হক, আবদুল হাই, ভিপি জয়নাল আবেদীন, গোলাম আকবর খন্দকার, অধ্যাপক শাহেদা রফিক, আফরোজা খানম রীতা, তাহসিনা রুশদীর লুনা, ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক তাজমেরী এস ইসলাম, আবদুল লতিফ খান, আবদুল কাইয়ুম, ইসমাইল জবিল্লাহ, এরামুজ্জামান, তৈমুর আলম খন্দকার, মইনুল ইসলাম শান্ত, মাহবুবুর রহমান, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, শাহজাদা মিয়া, আবদুল হাই শিকদার, এনামুল হক চৌধুরী, সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমি, আতাউর রহমান ঢালী, বোরহানউদ্দিন, সৈয়দ শামসুল আলম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, নজমূল হক নান্নুসহ আরও অনেকে।
এদিকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন। তবে অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন না স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান। জানা গেছে, যেহেতু বৈঠকে আসতে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বাধ্যবাধকতা না থাকা ও করোনা পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে সভায় উপস্থিত ছিলেন না মির্জা আব্বাস ও ড. মঈন খান।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার মাত্র পাঁচদিন আগে ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকের পর প্রায় সাড়ে তিনবছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও শুরু হলো বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিএনপির হাইকমান্ডের এই মতবিনিময় সভা। সূএ:সময়

Leave a Reply

প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: সি-৫/১, (৪র্থ তলা) ছায়াবীথি, সাভার, ঢাকা-১৩৪০
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
ঢাকা অফিস : বিএনএস সেন্টার (৯তলা), প্লট-৮৭, সেক্টর-০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
Design & Developed BY PopularITLimited