,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

গাইবান্ধার খবর

গাইবান্ধা সংবাদদাতা :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় কিশোরের মৃত্যু

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের ইট-পাটকেলের
আঘাতে আহত শামীম (১২) নামে এক কিশোরের মৃত্যু
হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ
(রমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
শামীম উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের বড়দহ (কানিপাড়া)
গ্রামের লালু মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় ওই গ্রামের ভোলা মিয়ার ছেলে সাদা মিয়া (৪৯) ও
শাহারুল ইসলামকে (৪১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, বড়দহ (কানিপাড়া) গ্রামের লালু মিয়ার
সঙ্গে একই গ্রামের ভোলা মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা
নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত
৮টার দিকে বাড়ির পাশে সড়কে মাটি কাটা নিয়ে দু’পক্ষের
মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে ভোলা মিয়া ও তার লোকজন হামলা চালিয়ে
প্রতিপক্ষের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে লালু মিয়া, তার
ছেলে শামীমসহ পরিবারের ৪ জন আহত হয়। গুরুতর আহত
শামীমকে রাতেই গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো
হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে আশংকাজনক অবস্থায়
বৃহস্পতিবার তাকে রংপুর মেডিক্যাল হাসপাতালে নেওয়ার পথে
বিকালের দিকে শামীমের মৃত্যু হয়।
কে জানান, নিহত শামীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য
গাইবান্ধা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত
থাকার অভিযোগে সাদা মিয়া ও শাহারুল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি
চলছে।


গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা মোল্লারচর ইউনিয়নবাসী

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর
ইউনিয়নবাসী। নদীবেষ্টিত এ ইউনিয়নের পুরো এলাকা
জুড়েই চলছে ভাঙন।
নদীভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা
পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও
কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ
ভুক্তভোগীদের।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে চরাঞ্চলের এ ইউনিয়ন ঘুরে
দেখা যায় ভাঙনের ভয়াবহতা। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো
এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন
যাপন করছে। ভাঙনের কবলে পড়া নদী তীরবর্তী অনেক পরিবার
সাধ্যমত তাদের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, গাছপালা অন্যত্র সরিয়ে
নিচ্ছেন।
ভাঙনের কবলে পড়া উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলো হলো, ওই
ইউনিয়নের বাজে চিথুলিয়া, চিথুলিয়া দিগর, মাইজবাড়ী,
সিধাই, কাচির চর, উত্তর মোল্লার চর, দক্ষিণ মোল্লার চর এবং
মৌলভীর চর এলাকা জুড়ে চলছে ব্যাপক নদী ভাঙন।
ওইসব এলাকায় বিস্তৃর্ণ ফসলিজমি- বসতবাড়ির
পাশাপাশি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, কালভার্ট, কমিউনিটি
ক্লিনিক, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এবতেদায়ী মাদ্রাসা।
বাজে চিথুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
যুধিষ্টীর বর্মণ জানান, এ বিদ্যালয়ে মোট ৭৭ জন শিক্ষার্থী
পড়ালেখা করতো। নদী ভাঙনে পরিবারগুলো অন্যত্র চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থী সংখ্যা কমতে থাকে। গত জুলাই মাসের ২৪ তারিখে
বন্যায় তার বিদ্যালয়ের ভবনটি নদী গর্ভে চলে যাওয়ায় বর্তমানে
বিদ্যালয়টি এক কিলোমিটার দূরে পাশের একটি চরে
স্থানান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে বর্তমানে স্কুল বন্ধ থাকায়
কতোজন শিক্ষার্থীর পরিবার অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছে
নিশ্চিত করে সে সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।
মোল্লারচর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল হাই
মন্ডল জানান, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে এ ইউনিয়নের বিভিন্ন
পয়েন্টে ভাঙন শুরু হয়েছে। পানি কমার পর এখনও ভাঙন অব্যাহত
রয়েছে। প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একের পরএক
বসতবাড়ি-ফসলিজমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। অথচ ভাঙন
রোধে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী
মোখলেছুর রহমান বলেন, মোল্লারচর ইউনিয়ন পুরোটাই নদী
বেষ্টিত হওয়ায় সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের
কোনো সুযোগ নেই। তবে সরকারিভাবে নদী খননের কাজ শুরু
হলে তখন ভাঙন কিছুটা কমে আসবে।


ফুলছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা


গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভাষারপাড়া গ্রামে
চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায়
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা
বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
পরে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেলা সদর
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভাষারপাড়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীর
বাবার সঙ্গে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাগুড়িয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ মাছের ব্যবসা করেন। সেই সুবাদে আবুল কালাম
আজাদ শিশুটির বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন।
গত বুধবার (২ নভেম্বর) রাতে মেয়েটির বাবা বাড়িতে না থাকার
সুযোগে আবুল কালাম তার বাড়িতে যায়। পরে মেয়েটিকে
ফুসলিয়ে ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। পরে
শিশুটির বাবা বাড়িতে এসে মেয়েকে না পেয়ে
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ধান ক্ষেত থেকে বিবস্ত্র অবস্থায়
মেয়েটিকে উদ্ধার করেন।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী
জানান, এ ব্যাপারে শিশুটির বাবা বাদী বুধবার বিকালে নারী ও
শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত
ব্যক্তিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া নির্যতনের শিকার
শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য
পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: সি-১১/১০, ছায়াবীথি, সাভার, ঢাকা-১৩৪০
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
ঢাকা অফিস : ২১ দক্ষিনখান (শহীদ লতিফ রোড), ঢাকা-১২৩০
Design & Developed BY PopularITLimited