,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

আশুলিয়ায় বেতন না পেয়ে কারখানা ভাংচুর ও লুটপাট, ৫’শ জনের নামে মামলা

প্রতিনিধি, সাভার:


বেতন না পেয়ে সাভারের আশুলিায়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। ভাংচুরে বাধা দিলে কারখানার ১৫ জন কর্মকর্তাকে এলোপাথারী ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে শ্রমিকরা। ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে কারখানার ১৫ জন শ্রমিকের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পাঁচ’শ জনকে আসামী করে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ। এঘটনায় পুলিশ ওই গার্মেন্টস এর তিন কর্মকর্তাকে আটক করেছে।
আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া বাজার এলাকায় কনকর্ড গার্মেন্টস গ্রুপের লিলি এ্যাপারেলন্স গার্মেন্টস কারখানায় এ ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বুধবার জুন মাসের ওই গার্মেন্টস এর এক হাজার শ্রমিকের বেতন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। পরে ব্যাংক থেকে বেতনের টাকা একটু দেরিতে আসায় কারখানার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ওই পোশাক কারখানায় ভিতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সকাল সাড়ে দশটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত কারখানার মুল ফটক আটকিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও তান্ডব চালায় শ্রমিকরা। এসময় শ্রমিকরা কারখানার বিশটি ল্যাপটপ,৩৫ টি কম্পিউটার,১০টি ফায়ার ডোর,ডাটা সারভার,৮৫ টি সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে কারখানার ডয়ার ভেঙ্গে নগদ এক লক্ষ টাকাসহ কারখানার শিপ মেন্টের জন্য তৈরি করা দুই লক্ষ পিচ শার্ট লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার সময় কারখানার জেনারেল ম্যানেজার মেজর (অব,) জাহিদুর রহমান খাঁনসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। এদিকে কারখানাটির অনেক গুলো সুইং মেশিন ও ভাঙচুর করে তারা। পরে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ কারখানাটি পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় কারখাটির প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বৃহষ্পতিবার থেকে কারখানাটি মালিকপক্ষ অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করেছে।
ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে রাতে আশুলিয়া থানায় কারখানার ফ্লোর ইনচার্জ শাহ আলমকে প্রধান আসামী করে ৩৫ জন শ্রমিকের নাম উল্লেখ করে আরও পাঁচ’শ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন কারখানাটির ডেপুটি ম্যানেজার ওমর আলী। এঘটনায় রাতেই পুলিশ আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী ফ্লোর ইনচার্জ শাহ আলম (৩৫),প্যাকার ম্যান রাকিব ফরাজী (২১)ও কোয়ালিটি ইনচার্জ রাসেল আকন (১৯) কে আটক করেছে।
এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি ইন্টেলিজেন্স ফজলুর রহমান বলেন, মামলার অন্য আসামীদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কি কারণে শ্রমিকরা কারখানাটি ভাংচুর করেছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে বলেও বলেন তিনি।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited