,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

রংপুরে বেতন ও মেসভাড়া বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

মনিরুল ইসলাম মিন্টু, সিএনআই নিউজ, রংপুর:

শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ ভাগ বরাদ্দ, চলতি শিক্ষবর্ষে ছাত্রবেতন-ফি বাতিল মেসভাড়া মওকুফ সহ ৬দফা দাবিতে রংপুর মহানগর শাখা সমাজতান্ত্রীক ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মানববন্ধ কর্মসূচি পালন করেছে। 

করোনার কারণে দেশের মানুষ চরম সংকটময় সময় অতিবাহিত করছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সারাদেশের কৃষি,স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সকল খাতে বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন। সমাজজতান্ত্রীক ছাত্র সংগঠনের মহানগর কমিটিরআহ্বায়ক রায় বলেন, বরাবরই অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে শিক্ষাখাতকে অবহেলা করা হয়। অথচ একটি দক্ষজনশক্তি গড়ে তুলতে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ইউনিসেফের প্রস্তাবনায় একটি দেশের জাতীয় আয়ের শতকরা ৮ভাগ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছ। কিন্তু প্রতি বছরেই শিক্ষাখাতকে পর্যাপ্ত বরাদ্দে উপেক্ষা করা হয়েছে।   

ফলশ্রুতিতে সারাদেশের প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে সকল উচ্চ শিক্ষা স্তর পর্যন্ত সুষ্ঠু পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ক্রমাগত শিক্ষার মানোন্নয়ন, উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রে গবেষণা ব্যাহত হচ্ছে। বাজেটের স্বল্পতার কারণে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ক্রমাগত স¤প্রসারিত হচ্ছে। বেসরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলছে ভয়াবহ শিক্ষাব্যবসা। অধিকাংশ কৃষক-শ্রমিকের এ দেশে তাই শিক্ষার অধিকার ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। বর্তমানে আর্থিক সামর্থ্যের মাপকাঠিতে শিক্ষালাভের সুযোগ মিলছে। শিক্ষাক্ষেত্রের এই বিপুল অর্থব্যয় নির্বাহ করতে না পেরে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ছিটকে পড়ছে উচ্চ শিক্ষার দোরগোড়া থেকে।

গত ১০ বছরে শিক্ষার ব্যয় এতো বেড়েছে যে প্রাথমিক স্তর শেষ করে মাধ্যমিক স্তরেই লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সারাদেশে উচ্চ শিক্ষালাভের সুযোগ সংকুচিত করা হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণায় নামেমাত্র বরাদ্দের কারনে শুধু সার্টিফিকেটসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সংকট ক্রমাগত ঘনীভূত হচ্ছে। গত কয়েক বছরে দফায় দফায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে ফেটে পড়লেও সংকট নিরসনে পর্যাপ্ত বরাদ্দের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শর্ত না মেনে চললেও ইউজিসির অনুমোদন নিয়ে বছরের পর বছর ভর্তি ফি, টিউশন ফি নিয়ে উচ্চশিক্ষার নামে সার্টিফিকেট ব্যবসার অবাধ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এসমস্ত সংকটের মধ্যে দিয়ে চলছিল আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। এর সাথে সংকট সৃষ্টি করেছে করোনা। এ বছরে করোনা সংক্রমনের কারনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকীর মুখে পড়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের এ সময়ে অসংখ্য পরিবারের যখন বেঁচে থাকাই কঠিন তখন শিক্ষাব্যয় নির্বাহ একটি বাড়তি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃস্থ এসকল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ প্রয়োজন। আবার নিজস্ব আবাসিক ব্যবস্থার অভাবে জেলা শহরগুলোতে কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থীকে মেসভাড়া করে থাকতে হয়৷ শহরের মেসগুলোেতে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগই টিউশনি করে চলতো, অনেকে পরিবারেও কিছুটা সহযোগিতা করতো। লক ডাউনে দুই মাস টিউশনি নেই। শিক্ষার্থীরা মেসে না থাকলেও মেস মালিকরা দু মাসের বকেয়া ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করছে। অনেক মেসমালিক আবার এই মেসভাড়ার ওপর নির্ভরশীল। এই সংকট নিরসনে এই সংকটগ্রস্ত মেসের শিক্ষার্থীদেরকে মেসের ভাড়া পরিশোধের জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ প্রয়োজন। একই সাথে এ বছরের সকল প্রকার বেতন-ফি ও সেমিস্টার ফি বাতিল করা প্রয়োজন।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited