,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

করোনা প্রতিরোধে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রামের বড় শপিং সেন্টারগুলো

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চট্টগ্রামে ব্যবসায়ী সমিতিগুলোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নগরের বড় বড় সব শপিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আড়ংয়ের আউটলেটগুলো খোলা রয়েছে।
জানা গেছে, জহুর হকার মার্কেট, নগরীর টেরিবাজার, তামাকুমন্ডি লেন, রিয়াজউদ্দিন বাজার, মিমি সুপার মার্কেট, স্যানমার ওশান সিটি, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স, ফিনলে স্কয়ার, সেন্ট্রাল প্লাজা, আমিন সেন্টার, আফমী প্লাজা, ইউনেস্কো টাওয়ার, আখতারুজ্জামান সেন্টার, সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট, কল্লোল সুপার মার্কেট, লাকী প্লাজা, বহদ্দারহাট হক সুপার মার্কেট, কেয়ারী, সেন্ট্রল প্লাজা আমানত সিটি করপোরেশন সুপার মার্কেটসহ প্রধান প্রধান শপিং সেন্টারগুলো বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত এসব শপিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। অ্যাপোলো শপিং সেন্টার, ভিআইপি টাওয়ারসহ বেশ কিছু শপিং সেন্টার খোলা থাকবে না বন্ধ থাকবে সেই ঘোষণা দেবে আজ।
মিমি সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে রোগ। অনেক সময় এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। এ ধরনের রোগী কিংবা কোনো করোনা রোগী যদি পরিচয় গোপন করে দোকানে কেনাকাটা করতে আসে, যেসব পণ্যসামগ্রী তিনি ধরবেন সেখানে করোনাভাইরাসের জীবাণু ছড়াবে। এমনটি হলে সেই জীবাণু আমাদের পরিবারে, কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তাই ‘জীবন বাঁচলে জীবিকা’ ডাক দিয়ে বড় বড় শপিং সেন্টারগুলো বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে আমরা জানিয়েছি টেরিবাজার ঈদের আগে খুলবে না। আমাদের ৮২টি মার্কেটের ২ হাজারের বেশি দোকান খোলেনি আজ। শুধু জাকাতের কাপড়ের কিছু অগ্রীম অর্ডার ছিলো সেগুলো হোম ডেলিভারি দিয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন বলেন, আমাদের ১ হাজারের বেশি দোকান বন্ধ রয়েছে। ঈদের আগে এসব দোকান খুলবে না। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তামাকুমন্ডি লেন বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক জানান, সকাল থেকে সমিতির স্বেচ্ছাসেবক ও সিকিউরিটি গার্ডরা বার্শ দিয়ে লকডাউন করে রেখেছে পুরো এলাকা। ১১০টি মার্কেটের ১৩ হাজার দোকানই বন্ধ। এখানে ৫০ হাজার দোকান মালিক ও কর্মচারী করোনা প্রতিরোধে ঈদের আগে দোকান না খোলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
নগরের বেশিরভাগ বড় বিপণি কেন্দ্র কোতোয়ালী থানার অধীন। টেরিবাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার, হকার্স মার্কেটসহ এসব বিপণিকেন্দ্রে ঈদের আগে লাখো ক্রেতাসমাগম হতো। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।
কোতোয়ালী থানার ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বড় বড় সব শপিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। অ্যাপোলো, ভিআইপিসহ বাকি শপিং সেন্টারগুলো নিজেরা সভা করে আজকের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে। আমরা বন্ধ মার্কেটগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছি। ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি অনুযায়ী, সড়কে ফুটপাতে কোনো হকারকে বসতে দিচ্ছি না।
আড়ংয়ের আউটলেটের ব্যবস্থাপক জানান, অনলাইনে নিবন্ধন করেই নির্দিষ্ট সময়ে ক্রেতাদের আউটলেটে কেনাকাটার সুযোগ দিচ্ছে আড়ং। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকছে ঈদের কেনাকাটার জন্য। সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা পদ্ধতি মেনেই গ্রাহকদের ঢোকানো হচ্ছে।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited