,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

ভাবি হত্যায় দেবরের মৃত্যুদণ্ড

সিএনআই নিউজ : কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবর বাসির উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আজ সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত প্রথম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিম এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। তবে এ সময় খালাস পাওয়া অন্য পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আম্বিয়া খাতুনের সঙ্গে মাদরাসাশিক্ষক জজ মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে ছিল। তবে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন আম্বিয়ার ওপর পরকীয়ার অভিযোগ আনে। এ নিয়ে স্বামীর পরিবারের সঙ্গে তার কলহ তৈরি হয়। এর জের ধরে আম্বিয়া তার বাবার বাড়ি চলে যান। ঘটনার কিছুদিন আগে তাকে আবার ফিরিয়ে আনে তার স্বামী। এ সময় আম্বিয়া সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি জজ মিয়ার ভাই, আম্বিয়ার দেবর বাসির ও তার পরিবারের লোকজন সহজভাবে নেয়নি। ২০০২ সালের ২ মে গভীর রাতে স্বামীর অনুপস্থিতে বাসির কয়েকজন সহযোগী নিয়ে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে আম্বিয়াকে।

এ ঘটনায় আম্বিয়ার চাচা কায়েসউদ্দিন বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন বাসিরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন বাসিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৪ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বিচারক এ রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জীবন কুমার রায় জানান, প্রধান আসামি বাসিরকে গ্রেপ্তারের কিছুদিন পর সে জামিন পেয়ে আর আদালতে হাজির হয়নি। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।  

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবর বাসির উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আজ সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত প্রথম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিম এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। তবে এ সময় খালাস পাওয়া অন্য পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আম্বিয়া খাতুনের সঙ্গে মাদরাসাশিক্ষক জজ মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে ছিল। তবে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন আম্বিয়ার ওপর পরকীয়ার অভিযোগ আনে। এ নিয়ে স্বামীর পরিবারের সঙ্গে তার কলহ তৈরি হয়। এর জের ধরে আম্বিয়া তার বাবার বাড়ি চলে যান। ঘটনার কিছুদিন আগে তাকে আবার ফিরিয়ে আনে তার স্বামী। এ সময় আম্বিয়া সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি জজ মিয়ার ভাই, আম্বিয়ার দেবর বাসির ও তার পরিবারের লোকজন সহজভাবে নেয়নি। ২০০২ সালের ২ মে গভীর রাতে স্বামীর অনুপস্থিতে বাসির কয়েকজন সহযোগী নিয়ে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে আম্বিয়াকে।

এ ঘটনায় আম্বিয়ার চাচা কায়েসউদ্দিন বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন বাসিরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন বাসিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৪ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বিচারক এ রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জীবন কুমার রায় জানান, প্রধান আসামি বাসিরকে গ্রেপ্তারের কিছুদিন পর সে জামিন পেয়ে আর আদালতে হাজির হয়নি। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।  

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবর বাসির উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আজ সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত প্রথম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিম এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। তবে এ সময় খালাস পাওয়া অন্য পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাসির উদ্দিন জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আম্বিয়া খাতুনের সঙ্গে মাদরাসাশিক্ষক জজ মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে ছিল। তবে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন আম্বিয়ার ওপর পরকীয়ার অভিযোগ আনে। এ নিয়ে স্বামীর পরিবারের সঙ্গে তার কলহ তৈরি হয়। এর জের ধরে আম্বিয়া তার বাবার বাড়ি চলে যান। ঘটনার কিছুদিন আগে তাকে আবার ফিরিয়ে আনে তার স্বামী। এ সময় আম্বিয়া সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি জজ মিয়ার ভাই, আম্বিয়ার দেবর বাসির ও তার পরিবারের লোকজন সহজভাবে নেয়নি। ২০০২ সালের ২ মে গভীর রাতে স্বামীর অনুপস্থিতে বাসির কয়েকজন সহযোগী নিয়ে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে আম্বিয়াকে।

এ ঘটনায় আম্বিয়ার চাচা কায়েসউদ্দিন বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন বাসিরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন বাসিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৪ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বিচারক এ রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জীবন কুমার রায় জানান, প্রধান আসামি বাসিরকে গ্রেপ্তারের কিছুদিন পর সে জামিন পেয়ে আর আদালতে হাজির হয়নি। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।  

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited