,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

কুবিতে পাহাড় কাটা থামাবে কে?

সিএনআই নিউজ : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন শিক্ষক ক্লাব কাম গেস্ট হাউসের নির্মাণ কাজের জন্য পাহাড় কাটছে ভবনটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এজন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেয়নি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কেউই। এর আগেও একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগ রয়েছে। সেবার পাহাড় কাটার দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপালেও এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে কোথাও পাহাড় কাটা হচ্ছে না। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের দক্ষিণ পাশে নির্মিত শিক্ষক ক্লাব কাম গেস্ট হাউসের উত্তর পাশের পাহাড়ের প্রায় অর্ধেক মেশিনের সাহায্যে কেটে ফেলা হয়েছে। পাহাড় কাটা মাটিগুলো ট্রাকে করে নির্মিত ভবনের নীচু জায়গায় দেওয়া হচ্ছে। পাহাড়ের অধিকাংশ অংশ কেটে ফেলায় যেকোনোও সময় পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে। 

পাহাড় কাটার এমন দৃশ্য দেখে এ প্রতিবেদকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বেখেয়ালি মনোভাব ও উদাসীনতার কারণে আমাদের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে অনুরোধ করবো এই পাহাড়গুলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য। একে রক্ষা করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আর নয়তো আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা সে দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেব।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের উত্তর পাশের পাহাড়ের একপাশের প্রায় অর্ধেক অংশ কেটে রাস্তা ও মাঠ নির্মাণের স্পষ্ট অভিযোগ ছিল। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পশ্চিম পাশের পাহাড়ের একটি অংশ মেশিনের সাহায্যে কেটে ফেলা হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইনের ২০১০-এর ৬-এর ‘খ’ ধারায় বলা হয়েছে ‘কোনো পাহাড় বা টিলা কর্তন বা মোচন করা যাইবে না, তবে অপরিহার্য জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গ্রহণক্রমে পাহাড় কর্তন করা যাইবে।’ 

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা মাত্র জেনেছি। আমাদের দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্মাণাধীন ভবনের ঠিকাদার জাহাঙ্গীর বলেন, ভবনের মূল অংশে মাটির প্রয়োজন হওয়ায় নীচের অংশ কাটা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘শিক্ষক ক্লাব ও গেস্ট হাউস ভবনের বেইজমেন্ট কাটতেছে। পাহাড় কাটার সংবাদ শুনে সাথে সাথে প্রকৌশলীকে পাঠিয়েছি। তারা জানিয়েছে ক্যাম্পাসের কোথাও পাহাড় কাটা হয়নি। 

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited