,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

পুজোর পাঁচদিনে মৃত ১০৩ জন

ডেস্ক রিপোর্ট, সিএনআই নিউজ: পুজোর পাঁচদিনে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শতাধিক রোগীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১০৩ জন। রোগীর পরিবারের লোকদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই এত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের দাবি, চারদিনে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা স্বাভাবিকই রয়েছে। ডিউটি রোস্টার মেনে হাসপাতালের ডাক্তাররা চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেছেন।
পুজোর ক’দিন চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে জোর প্রস্তুতি নিয়েছিল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা পালা করে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত পরিষেবা প্রদান করবেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পুজোর ক’দিনে প্রচুর রোগীর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ষষ্ঠীতে ২০ জন, সপ্তমীতে দিন ২১ জন, অষ্টমীতে ১৯ জন, নবমীতে ২০ জন এবং দশমীতে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৭ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের কেউ পথ দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কেউ পারিবারিক অশান্তির জেরে আত্মঘাতী হয়েছেন। আবার গুরুতর অসুস্থ কোনও ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয়েছে। মৃতের তালিকায় কয়েকটি সদ্যোজাতও রয়েছে।
সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রোগীর আত্মীয়দের একাংশ। ধূপগুড়ির বাসিন্দা এক রোগীর স্বামী বলেন, স্ত্রীর পেটে টিউমার হয়েছিল। এক সপ্তাহ আগে এই হাসপাতালে স্ত্রীকে ভর্তি করি। অপারেশন করলেই স্ত্রী সুস্থ হয়ে যাবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন। কিন্তু পুজোর জন্য স্ত্রীর অস্ত্রোপচার করা হয়নি। ফলে এদিন স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, চিকিৎসকরা একটু নজর দিলেই হয়তো স্ত্রীকে বাঁচানো যেত। অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রাও হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ‘লোক দেখাতে’ হাসপাতালে রাউন্ড দিলেও সেভাবে পরিষেবা প্রদান করেননি চিকিৎসকরা। রোগীদের উপর নজর দেওয়া হয়নি। পুজোর ক’দিন হাসপাতালে কিছু চিকিৎসকের দেখা মেলেনি বললেই চলে।
মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য মৃত্যুর পরিসংখ্যান ও অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হাসপাতালের ডেপুটি সুপার বিজয় থাপা বলেন, নিয়ম মেনে পুজোর চারদিন হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। চিকিৎসকরাও ছিলেন। প্রতিদিন গড়ে এখানে ১৫-১৭জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ৮ অক্টোবর অর্থাৎ দশমীর দিন মৃতের সংখ্যা সামান্য বেড়ে যায়। ওই দিন অন্যান্য হাসপাতাল থেকে সঙ্কটজনক কিছু রোগীকে এখানে রেফার করা হয়েছিল। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঠিক নয়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল প্রবীর দেব বলেন, পুজোর চারদিনে হাসপাতালে শতাধিক রোগীর মৃত্যু হয়নি। চারদিনে মাত্র ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর হার স্বাভাবিক।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited