,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

অদ্ভুত কিছু রহস্যময় গাছের গল্প

সিএনআই নিউজ : গাছ আমাদের পরম বন্ধু এটা চিরন্তন সত্য। পৃথিবীতে মনুষ্য জাতির টিকে থাকার জন্য গাছের কোন বিকল্প নেই। কী না করে তারা? পরম বন্ধু গাছ বেঁচে থাকার মূল উপাদান অক্সিজেন উৎপাদন করে এই ধরণীতে বাঁচিয়ে রাখে আমাদের। গাছ আমাদের আশ্রয়দাতা, খাদ্যের যোগানদাতা। এই গাছ দিয়েই আমরা সভ্যতার প্রতিটি উৎকর্ষে লাভবান হয়েছি। পৃথিবীতে আছে নানা কিসিমের গাছ। এদের মধ্যে দীর্ঘকায়, ক্ষুদ্র, প্রবীণ, রঙ-বেরঙের, অদ্ভুতাকৃতির কত রকমের গাছ যে আছে তা লিখে শেষ করা যাবে না। আজ আমরা জানবো কিছু আশ্চর্যজনক, অদ্ভুত এবং সুন্দর কিছু গাছ সম্পর্কে।১) বাওবাব গাছ: আফ্রিকান নেটিভ অঞ্চলের এই গাছগুলো দেখলে মনে হবে কোনও গ্রহ থেকে এসব গাছ এসে পড়েছে। এদের ভীষণ মোটা গুঁড়ি পানি জমিয়ে রাখতে কাজে লাগে। ২) ড্রাগন ব্লাড গাছ: যদিও এই গাছের নামটি শুনতে বেশ ভয়ানক লাগে তারপরেও এই গাছটি দেখতে বেশ অদ্ভুত এবং সুন্দর লাগে ইয়েমেনের সানা দ্বীপে। এই গাছের বিভিন্ন অংশ হোমিওপ্যাথির কাজে লাগে যেমন-গাছের মূলের কষ টুথপেস্ট ব্যবহারে লাগে, রজন এর গভীর লাল রং ছাপানো কাজে ব্যবহার করা হয়। ৩) উইস্তেরিয়া গাছ: জাপানের ১৪৪ বছরের পুরনো উইস্তেরিয়া গাছ। এই সুন্দর ফুল গাছটি আসলে মটর পরিবারের সদস্য। এই ফুলের গাছটি বিভিন্ন রকমের স্পন্দনশীল রঙের হয়ে থাকে যেমন- সাদা, গোলাপি, বেগুনী এবং নীল।৪) গিয়ান্ত সিকুওইয়া গাছ: এটা উদ্ভিদকুলের বিশাল প্রজাতির আশ্চর্যজনক গাছ। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গাছ। গিয়ান্ত সেকুওইয়া আপনি খুঁজে পেতে পারেন ক্যালিফোর্নিয়ার সিএররা নেভাডা বনে।৫) ওক গাছ: এটা খুব সাধারণ এবং বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ। সাধারণত এই উদ্ভিদ কাঠের জন্য এটা সারা বিশ্বে বিখ্যাত। উত্তর আয়ারল্যান্ডে ১৮শ’ শতক থেকে এই গাছগুলো ছায়া দিয়ে যাচ্ছে এবং তৈরি করেছে রহস্যময় এক সৌন্দর্য।৬) রেইনবো ইউক্যালিপটাস গাছ: এটা দেওয়ালে আচ্ছাদিত গাছের মতো লাগে। এটা এমনভাবে বেড়ে উঠে যায়, যাতে ভেতরের বিভিন্ন রঙের স্তর দেখা যায়; অনেকটা রংধনুর মতো মনে হয় এই উদ্ভিদকে। এটা সাধারণত লকেইলের উত্তর গোলার্ধের স্থানীয় অঞ্চল যেমন নিউ গিনি এবং নিউ ব্রিটেনে পাওয়া যায়। ৭) ম্যাপল গাছ: এটা অপেক্ষাকৃত অন্যান্য মাসের তুলনায় বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে বেশি দেখা যায়। সাধারণত এই উদ্ভিদে চোখ জুড়ানো অনেক রঙের সংমিশ্রণ রয়েছে, যেন দেখলে মনে হবে গাছটিতে আগুন ধরেছে। এই গাছটি জাপানের অরিগনের পোর্টল্যান্ডে অবস্থিত।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited