,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

উন্নয়নে সমন্বয়হীনতার কারণে ভেঙ্গে পড়েছে বেশীরভাগ বিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা

টি এম কামাল, সিরাজগঞ্জ : সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার কারণে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সমন্বয়হীনতার জন্য বেশীরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। এতে সরকারি বরাদ্দবঞ্চিত প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়াসহ মানসম্মত পাঠদান কার্যক্রম দূরহ হয়ে পড়েছে।

কাজিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় অফিস সূত্রে জানা গেছে, কাজিপুর ২৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এদিকে চলতি বছরে কাজিপুর প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ৩৮টি বিদ্যালয়ে দ্বিতল ভবন নির্মাণসহ অবকাঠোমোগত উন্নয়নের কাজ চলছে। অপরদিকে ২৩৭টি বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটিতে প্রাক-প্রাথমিক এর ১০ হাজার ও স্লীপের বরাদ্দ ৫০ থেকে ছাত্র ভেদে ৭০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান ছাড়াও ৯৫টি বিদ্যালয়ে ৪০ হাজার করে টাকা, ১৯টি বিদ্যালয়ে রুটিন মেরামতের ১ লক্ষ ৫০ হাজার করে টাকা ও ২৬টি বিদ্যালয়ে ২ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্যাপক সমন্বয়হীনতার কারণে একই বিদ্যালয় বার বার বরাদ্দ পাচ্ছে আবার কোন কোন বিদ্যালয় বছরের পর বছর ভাঙ্গাচুড়া ঘরে শিক্ষকরা চেয়ার-বেঞ্চ ব্যাতি রেখে কোন রকমে পাঠ দান কার্যক্রম চলেছে, এতে করে ঐ সমস্ত বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠ দান ব্যহত হওয়ায় শিক্ষার্থী ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। জানা গেছে, উপজেলার সুতানারা শ্রীপুর নিশ্চিন্তপুর, সিন্দুরআটা, সোনামূখী, গান্ধাইল খামারপাড়া সহ ৩৮টি বিদ্যালয়ে দ্বিতল ভবন নির্মাণের কাজ চললেও অজ্ঞাত কারণে একই বিদ্যালয়ে আবারো ২ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তেমনি দক্ষিন নাটুয়ারপাড়া, আলমপুর মধ্যে পাড়া, হরিনাথপুর, পানাগাড়ি সহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে দ্বিতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান থাকলেও ঐ বিদ্যালয়গুলিতে ৪০ হাজার আবার কোন টিতে দেড় লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ বঞ্চিত টিকরাভিটা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করে জানান, একই বিদ্যালয়ে একাধিক বরাদ্দ রাখা হলেও টিকরাভিটা, ঘাটি শূভগাছা, কালিকাপুর, খামারপাড়া উত্তর, টেংলাহাটা সরকারি বিদ্যালয়সহ অনেক বিদ্যালয় বছরের পর বছর কোন বরাদ্দ পাচ্ছে না। এতে করে বরাদ্দ না পাওয়া বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার্থী ধরে রাখা ও শিক্ষার গুনগতমান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কাজিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, আমাদের জনবল কম তারপরেও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তাদের পরামর্শের ভিত্তিত্বে আমরা বিদ্যালয়গুলির সমস্যা চিহ্নিত করে আমার অফিস থেকে উর্ধোতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে বরাদ্দের জন্য তালিকা প্রেরণ করা হয়ে থাকে। কাজিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যন খলিলুর রহমান বলেন, যেগুলো বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজ চলছে সেগুলো আগের চেয়ারম্যান সাহেবের সময় লিষ্টেট করা ছিল আমার সময়ে যে তালিকা পাঠানো হয়েছে সেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ স্কুল গুলোর তালিকা পাঠানো হয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, বিভিন্ন উন্নয়নের ক্ষেত্রে বরাদ্দের ভিন্নতা রয়েছে তবে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রদেয় চাহিদা মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়ের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে অনেক বিদ্যালয়ে হয়ত বরাদ্দ বঞ্চিত হয়। এ বিষয়ে আরও সচেতনতার সহিত পরবর্তীতে তালিকা প্রেরণ করা হবে। কাজিপুর উপজেলা প্রকৌশলী বাবলু মিয়া জানান, শিক্ষা অফিসের চাহিদা মোতাবেক বরাদ্দ আসে আমরা শুধু বাস্তবায়ন করি মাত্র। শিক্ষকদের একটি সূত্রে জানা গেছে, উপরেল্লিখিত অভিযোগ ছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্দের অর্থ ছাড় করতে প্রধান শিক্ষকদের বেশীরভাগ সময় উপজেলায় ঘোরাঘুরি করতে হয় এতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলির পাঠদান কার্যক্রম মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।#

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited