,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

বাঁশঝাড়ে এখনো ভরপুর ভয়

সিএনআই নিউজ : দিনের বেলায়ও ভেতরটা অন্ধকার। পাশের পথ ধরে হাঁটতে গা ছমছম করত একসময়। এখন ঝোপঝাড় কিছুটা কম। বাগানের চারপাশেই ঝোপঝাড়। বাঁশঝাড়ে এখনো ভরপুর। সামনে টুকটাক পুকুর-ডোবা আছে। সেখানে একসময় মাছ ধরত লোকে। পাশে একটু দূরেই গাজীবাড়ী। আগে দিনের বেলা এ পথ মাড়াত না কেউ। মাঝদুপুরেও নাকি ভূত দেখেছে অনেকে। এখন বাগানের পাশেই দুটি পরিবার থাকতে শুরু করেছে। তাই আগের মতো আর ‘কিছু’র দেখা মেলে না সহজে। ওই বাড়ির কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী শাহাদাত্ গাজী শোনালেন এক ঘটনা, ‘কয়েক বছর আগে একদিন রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় বাঁশবাগানের ভেতর দিয়ে আসছিলাম। বাগানের তালগাছটা পার করার পর মনে হলো, গাছ থেকে তাল পড়েছে। একটু সামনে এগিয়ে গিয়েছিলাম। পেছনে এসে গাছের নিচে তাল খুঁজতে থাকি। আমার হাতে টর্চ। সেটা জ্বালিয়ে এদিক-ওদিক তাকাই। কিন্তু তালের দেখা নাই। তারপর আবার বাড়ির দিকে হাঁটতে থাকি। ঠিক আগের জায়গাটিতে যাওয়া মাত্র আবার তাল পড়ার শব্দ। আমি আবার গাছের নিচে গেলাম। যথারীতি এবারও তাল নেই। ঠিক করলাম, যতই তাল পড়ুক, আর পেছনে যাব না। এবার আগের জায়গায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধুপধাপ করে দুটি তাল পড়ার শব্দ। টর্চ জ্বেলে ভালোভাবে খুঁজি। কিন্তু তালের দেখা নেই।

তবে টর্চের আলোয় যা দেখতে পেলাম, সেটা হলো—গাছের তলায় দুটি খোঁপার বাঁধন পড়ে আছে। ভীষণ ভয় পেয়ে যাই। তারপর এক দৌড়ে বাড়ি। সে রাতে কাউকে কিছু বলিনি। সকালে ঘুম থেকে উঠে তালগাছের নিচে যাই। তবে কোনো খোঁপার বাঁধন দেখতে পাইনি। এখন তো বাগানের পাশে লোকজন থাকে। তাই আর আসা-যাওয়ায় তেমন ভয় করে না।ষাটোর্ধ্ব তাফাজ্জল গাজী বললেন, ‘যখন তরুণ ছিলাম তখন এটা জঙ্গল ছিল। বাঁশগাছে ভর্তি ছিল আশপাশ। তখন সেখানে ভূত দেখা যেত বলে অনেকেই বলতেন। অবশ্য আমিও একবার ভয় পেয়েছিলাম। একদিন জঙ্গলের পাশের জমিতে কাজ করছিলাম। সন্ধ্যার একটু পরের ঘটনা। আশপাশে লোকজন নেই। মনে ভয় ছিল। হঠাত্ বাঁশবাগান থেকে কান্নার আওয়াজ পেলাম। সাহস করে ভেতরে গেলাম। কিন্তু কাউকে দেখলাম না। কান্নার আওয়াজ ক্রমেই বাড়ছে। বাগানের এপাশ-ওপাশ খুঁজেও কাউকে পাইনি। তবে কান্নার আওয়াজ পাচ্ছিলাম অনবরত। বুঝতে পারলাম, এখানে বেশিক্ষণ থাকা যাবে না। জমিতে কাজ শেষ না করেই বাড়ি ফিরে গেলাম। ইসমাইল গাজী জানালেন, ‘বর্ষাকালে একদিন রাতে মাছ শিকারের জন্য বের হই। বাঁশবাগানে আগে মাছ পেয়েছিলাম। এ কারণেই যাওয়া। সেদিন কয়েকটা মাছ ধরেছি। আরো ধরব বলে অপেক্ষা করছি। হঠাত্ দেখি বাঁশঝাড়ের পাশে সাদা কাপড় পরে এক বুড়ি বসে আছে। আমার সঙ্গে ছিল চাচাতো ভাই তানজিদ। দুজনে মিলে কাছে যেতেই বৃদ্ধা বাঁশঝাড়ের ভেতরে ঢুকে গেল। তারপর আর তাকে দেখতেই পেলাম না। আমরা জলদি বাড়ি ফিরে আসি। আজব ঘটনা! বাড়িতে গিয়ে দেখি ঝুড়িতে কোনো মাছই নেই!’

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited