,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

জলাবদ্ধতায় তিনশত হেক্টর জমি অনাবাদি

টি এম কামাল : অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা নির্মাণ এবং বন্যানিয়ন্ত্রণ বাধ
নির্মিত হওয়ার কারণে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে প্রায় ৩শ’ হেক্টর জমি
রোপা আমন মৌসূমে জলাবদ্ধতায় অনাবাদি হয়ে পড়েছে। এসব জমিতে
গত দেড় দশক আগেও ইরি-বোরো মৌসুম ছাড়াও রোপা আমন সহ তিন
ফসলি আবাদ করা হত। এখন জলাবদ্ধতার কারণে জমিগুলিতে ইরি-বোরো
মৌসুম ছাড়া আর কোন আবাদ করা যাচ্ছে না। এর ফলে খাদ্যে উদ্বৃত্ত
কাজিপুর উপজেলা এখন খাদ্যে সংকটে পরিণত হয়ে পড়েছে।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিস জলাবদ্ধতার কথা স্বীকার করলেও তাদের নিকট
ক্ষতিগ্রস্থ জমি বা কৃষকের কোন তথ্য নেই। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ
এলাকা সমূহের মধ্যে চালিতা ডাঙ্গাইউপির মাথাইলচাপর, ভবানীপুর,
বরশিভাঙ্গা, চালিতাডাঙ্গা, কাজিপুর পৌরসভার আলমপুর, পলাশবাড়ি,
বেড়ীপোটল, কবিহার, গান্ধাইল ইউনিয়নের দুবলাই, গান্ধাইল, বরইতলা, মেরার
পাড়া, কাচিহারা, উল্লাপাড়া, উদগাড়ি, কালিকাপুর, কাজিপুর সদর
ইউনিয়নের মেঘাই ও তেকানী ইউনিয়নে উত্তর তেকানী রয়েছে। উল্লেখিত
গ্রাম সমূহের মধ্যে গান্ধাইল, পলাশবাড়ি, বরইতলা, দুবলাই এবং কাচিহারা
গ্রামের বেশীরভাগ জমিতে রোপা-আমন ধান চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানা গছে, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় কাজিপুর এলাকার মেঘাই ও শুভগাছা
ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ ভেঙ্গে যায়। পরে পাশ্ববর্তি রতন কান্দি
ইউনিয়নের রতন কান্দি হাটের সামনে দিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ নির্মিত
হয়। এতে অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম বানিয়জান খালটির মুখ বন্ধ
হয়ে যায়। ফলে উজান থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ
হয়ে যায়। পরবর্তিতে ১৯৯৪ সালে আবারো বন্যায় গান্ধাইল ইউনিয়নের
কাচিহারা হয়ে একই ইউনিয়নের পশ্চিম বেতগাড়ী দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে
আরেকটি খালের সৃষ্টি হয় যার প্রবাহ ইছামতি নদীতে পড়েছে। কয়েক বছরে
সেই খালটির মেরারপাড়া নামক স্থানে মাটি ভরাট করে বসতবাড়ি নির্মিত
হওয়ায় অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশনের পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে যমুনা নদী দ্বারা পূর্ব পশ্চিমে বিভক্ত উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের
৬টি যমুনার পূর্বে অবস্থিত যা বন্যার ফলে প্রতবিছরই নতুন নতুন এলাকা
জলাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। আর পশ্চিমের ৬টি ইউনিয়নের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশিত
হতে না পারায় দুই অঞ্চলই সমান তালে চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। স্থানীয়
কৃষি অফিসের দেয়া তথ্যে বন্যায় ও জলাব্ধতার কারণে ফসলের ক্ষতি হয় প্রায়
২৪ কোটি টাকা। এর বেশীরভাগ হয়েছে চরাঞ্চলের চাষিদের, তবে বিড়ে অঞ্চলের চাষিদের জলাব্ধতার কারণে আরও ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা
সৃষ্টি হওয়ায় চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছে।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited