,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

পথেই সর্বস্বান্ত

sintaiসিএনআই নিউজ : পোশাক শ্রমিক রবিউল ইসলাম (১৮)। বসবাস করেন টঙ্গীর খাঁপাড়া এলাকায়। অসুস্থ মা-বাবা আর ভাইবোন নিয়ে পরিবারের পাঁচ সদস্যের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তরুণ রবিউলের কাঁধে। টানাপোড়েনের সংসারে রবিউলই একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। কোনোরকমে মাস চলে তার সামান্য বেতনের টাকায়। এক রাতে সেই টাকা নিয়ে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন রবিউল। টঙ্গীর তারগাছ এলাকায় পথ আটকে তার পুরো বেতনটাই লুটে নেয় ছিনতাইকারীরা। ৪-৫ জন অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী তাকে বেদম মারধর করে সঙ্গে থাকা ১২ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোনসেট হাতিয়ে নেয়। ওই রাতে বিধ্বস্ত শরীরে শূন্য হাতে বাসায় ফেরেন রবিউল। সামনে পড়ে থাকা মাসটা বিভীষিকা হয়ে আসে তার জীবনে। বাকি পড়ে বাসা ভাড়া। লম্বা হয় পাড়ার মুদি দোকানের বাকির খাতা। বাড়িওয়ালার চাপে পরিচিতদের কাছ থেকে ধার করে শোধ করেন ওই মাসের বাসা ভাড়া। নইলে পরিবার নিয়ে রাস্তায় নামতে হতো তাকে।

শুধু রবিউল নয়, প্রতিনিয়ত এ রকম ঘটনার শিকার হচ্ছেন টঙ্গী এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ। টঙ্গীতে ছিনতাই এক নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। অনেক দিন ধরেই চলে আসছে এই অনাচার। বিশেষ করে প্রতি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ওত পেতে থাকে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। সাধারণত ওই সময়ের মধ্যে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। ছিনতাইকারীরাও ওই সময়টাকে টার্গেট করে শ্রমিকদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিচ্ছে। টঙ্গী শিল্প এলাকা যেন ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য। পোশাক শ্রমিকসহ এ এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের কাছে ছিনতাইকারীরা অনেক দিন ধরেই এক মূর্তিমান আতঙ্ক।

সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভুক্তভোগী অধিকাংশ শ্রমিকই আতঙ্ক, হয়রানি ও আস্থাহীনতার কারণে ছিনতাইয়ের ঘটনা পুলিশকে অবহিত করেন না। তাই অনেক ঘটনাই চাপা পড়ে যায়। সমকালের অনুসন্ধানে টঙ্গীর ছিনতাই নিয়ে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য।

গত কয়েক মাসে টঙ্গী পূর্ব থানায় অস্ত্র, লুণ্ঠনসহ সংশ্নিষ্ট ধারায় অন্তত ১৫টি মামলা হয়েছে। যদিও ওই এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

টঙ্গীতে পোশাক শ্রমিক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বাস। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জড়িত কর্মী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লেনদেনকে টার্গেট করে ছিনতাইকারীরা সক্রিয়। ছিনতাইকারীদের ঠেকাতে এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় ছিনতাই প্রতিরোধ কমিটি গঠন করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ১ জানুয়ারি টঙ্গীতে ফিল্মি স্টাইলে ব্যবসায়ীর ২৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার দিন টঙ্গী বাজারের ‘জাকির ট্রেডার্সের কর্ণধার’ জাকির হোসেন তার সঙ্গী আরজুকে নিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের শাখায় টাকা জমা দিতে যাচ্ছিলেন। চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে পৌঁছলে দুটি মোটারসাইকেলে চার ছিনতাইকারী তাদের রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীরা অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে ফাঁকা গুলি করতে করতে করতে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গত বছরের ২৮ জুন টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কামরুল ইসলাম (২৬) নামে এক পিকআপ ভ্যানচালক নিহত হন। ঘটনার দিন ময়মনসিংহ থেকে ডাববোঝাই করে ঢাকায় আনার পথে টঙ্গী মিলগেট এলাকায় পিকআপ ভ্যানটি থামিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন রফিক ও কামরুল। চার যুবক এসে পিকআপ ভ্যান ছিনতাইকালে তারা বাধা দেন। এতে ছিনতাইকারীরা চালক কামরুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। রফিক গাড়িটির চাবি নিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন। ছিনতাইকারীরা চলে যাওয়ার পর কামরুলকে উদ্ধার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর আউচ পাড়ায় একটি গার্মেন্টের কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর শাহ নেওয়াজ ছিনতাইয়ের শিকার হন। ঘটনার রাতে টঙ্গীর কলাবাগান বস্তির পাশে কড়ইতলা ইউসুফ স্কুলের সামনে পৌঁছলে অতির্কিতভাবে বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নেওয়াজের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোনসেট ও গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলাকারীদের কয়েকজন ছিল তার পূর্ব পরিচিত। তাদের মধ্যে বাহজ্জল হোসেন ফাহিম, রনি মিয়া, কাঞ্চন মিয়া, বাবু, মিঠু ও শাকিলসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে টঙ্গী থানায় মামলা করেন শাহনেওয়াজ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ২৮ মার্চ হিরন মিয়া নামে একজন পোশাক শ্রমিকও ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন। ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে অলিম্পিয়া টেক্সটাইল মিলের সামনে পৌঁছলে তাকে মারধর করে দুই হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাতে আবদুল হান্নান নামে আরেকজন ছিনতাইয়ের শিকার হন। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় লাইনচিফ হিসেবে কর্মরত। ঘটনার রাতে গাজীপুর ফ্যাক্টরির তিন নম্বর গেটের কাছে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে পোস্ট অফিসের সামনের বাগানে নিয়ে যায়। এরপর তার পকেটে থাকা ৭০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোনসেট ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হুমায়ুন কবির নামে আরেক শ্রমিকও গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিনতাইয়ের শিকার হন।

টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় বসবাস করেন পোশাক শ্রমিক রাবেয়া। তিনি সমকালকে বলেন, মাস চারেক আগে কারখানা থেকে বেতন নিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাইয়ের শিকার হন তিনি। তার কাছে থাকা ৭ হাজার টাকা কেড়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। আউচপাড়ার বাসিন্দা তাসলিমা নামে আরেক শ্রমিক জানান, ছিনতাইকারীরা তার কানের দুল ও এক হাজার টাকা কেড়ে নেয়। গত বছরের আগস্টে টঙ্গী এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হন ওনাস গার্মেন্টের শ্রমিক মো. সোলায়মান। তার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয়।

ছিনতাইয়ের স্পট :টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শহরের ১০-১২টি স্থানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের কিছু পরিচিত ও চিহ্নিত স্পটও রয়েছে। অনেক সময় দিনদুপুরেও ঘটছে ছিনতাই। যেসব স্পটে ছিনতাই প্রায়ই ঘটছে সেগুলো হলো- মিলগেট, নামার বাজার, স্টেশন রোড, নওয়াগাঁও, তিস্তা গেট, দত্তপাড়া সমাজকল্যাণ রোড কবরস্থান, বনমালা রেলগেট, সফিউদ্দিন রোড, গাজীপুরা বাঁশপট্টি, মুদাফা প্রত্যাশা ব্রিজ, হোসেন মার্কেট, বাস্তুহারা, সাতাশ রোড মোড়, কামারপাড়া সেতু, লিলি ফুড মোড়, পানির ট্যাঙ্ক মোড়, মেঘনা পিনাকি গার্মেন্টসের সামনে, নতুনবাজার রেলগেট, সিলমুন বাসস্ট্যান্ড, নিমতলী সেতু, কেরানিরটেক, ব্যাংক মাঠ বস্তি, মধুমিতা দরবার শরিফ মোড়, বউবাজার রেলগেট, আরিচপুর, মাছিমপুর তিতাস গ্যাস রোড, আরিচপুর রেললাইন, টঙ্গী গরুবাজার, এরশাদনগর, হোসেন মার্কেট, প্রত্যাশা ব্রিজ কলেজ গেট, সফিউদ্দিন রোডের মাথা, রেলগেট নতুনবাজার ও চেরাগ আলী সিরামিক রোড মসজিদ গলি।

জড়িত যারা :টঙ্গীর এরশাদনগরে ছিনতাইকারী দলের সদস্যরা হলো- সাগর, রতন, রায়হান, রবিন, রাজু, এবাদুল, সোহাগ ও শাওন। স্টেশন রোড এলাকার ছিনতাইকারীরা হলো- শাওন, মধু, ইছমাইল, সোহাগ। এদের দলনেতা শাওন। স্থানীয় সরকারদলীয় এক নেতার প্রভাব দেখিয়ে ছিনতাইয়ের পর বারবার শাওন ছাড়া পাচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। এ ছাড়া টঙ্গীকেন্দ্রিক আরও যারা ছিনতাইয়ে জড়িত তারা হলো- মনিরুজ্জামান বাবু ওরফে পোড়া বাবু, আনোয়ার হোসেন, পিয়াস, আসলাম, প্রিন্স, আসলাম, রাজু, শুক্কর আলী, মাসুদ মিয়া, মকবুল, রুহুল আমিন, রুবেল, মহসিন, আজাদ, হারুন, বাশার ও মতিউর।

বস্তি ঘিরে সক্রিয় চক্র :খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত টঙ্গীতে ছয় লাখের বেশি লোকের বসবাস। বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কারখানা রয়েছে তিন শতাধিক। টঙ্গীর বাসিন্দাদের অধিকাংশ কোনো না কোনোভাবে কারখানার ওপর নির্ভরশীল হয়ে জীবন ধারণ করছেন। টঙ্গীতে ছোট-বড় মিলিয়ে বস্তি রয়েছে ১৯টি। এসব বস্তিতে রয়েছে লক্ষাধিক লোকের বসবাস। উল্লেখযোগ্য বস্তির মধ্যে রয়েছে এরশাদনগর বস্তি, কলাবাগান বস্তি, নামাবাজার বস্তি, জিন্নাত মহল্লা বস্তি, ব্যাংকের মাঠ বস্তি, মাজার বস্তি। এসব বস্তি ঘিরে মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ীদের হাট বসে। ছিনতাইকারীরা বস্তিতে তাদের আস্তানা তৈরি করেছে। অনেকে আবার ছিনতাই করে এলাকা ছেড়ে কিছুদিনের জন্য অন্যত্র আশ্রয় নেয়। কিছুদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর আবার বস্তিতে ফিরে আসে।

সংশ্নিষ্টদের ভাষ্য :টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর মহাসচিব মো. মহিউদ্দিন শেখ সমকালকে বলেন, ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নাইড গার্ড নিযুক্ত করেছেন। ৭ জন গার্ড রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত পাহারায় থাকে। ছিনতাই ঠেকাতে সব শ্রমিককে প্রতিমাসের বেতন দিনের কোনো এক সময় পরিশোধ করতে মালিকদের প্রতি আহ্বান তার। যাতে দিনের আলোতে তারা বেতন নিয়ে বাসায় ফিরতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাসেল শেখ সমকালকে বলেন, পোশাক শ্রমিকদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদের তৎপরতার ব্যাপারে তারা অবগত। টঙ্গী, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুরসহ আশপাশের শিল্প এলাকা টার্গেট করে পেশাদার ছিনতাইকারীরা সক্রিয়। অনেককে এরই মধ্যে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এই ছিনতাইকারীরা শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের দিন কারখানার আশপাশ এলাকায় অবস্থান নেয়। তাদের প্রতিরোধে বেতন পরিশোধের দিন পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। শিল্প পুলিশ সক্রিয় থাকে।

শিল্প পুলিশের টঙ্গী জোনের সিনিয়র পুলিশ সুপার আমিরুল আলম বলেন, সাধারণ পোশাক কারখানার মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে কোনো সমস্যা রয়েছে কি-না, বেতন-ভাতা ঠিকমতো পাচ্ছে কি-না- এসব তদারক করে শিল্প পুলিশ। আর কারখানার বাইরের শ্রমিকরা কোনো সমস্যায় পড়লে তা থানা পুলিশ দেখে থাকে। এরপর বেতন দেওয়ার সময় শিল্প পুলিশ এলাকায় টহল বাড়িয়ে থাকে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি কামাল হোসেন সমকালকে বলেন, টঙ্গী অত্যন্ত জনবহুল এলাকা। বাসিন্দাদের অধিকাংশই ভাসমান। টঙ্গীতে জনগণের তুলনায় পুলিশ সদস্যও অনেক কম। সীমিতসংখ্যক সদস্য দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

টঙ্গীর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফারুক আহমেদ সমকালকে বলেন, পোশাক শ্রমিকদের টার্গেট করে ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। প্রশাসনকে জড়িতদের তালিকাও দেওয়া হয়েছে। তবে তারা মামলা ছাড়া কাউকে ধরতে চায় না। দু-একজন ধরা পড়লেও জামিনে বেরিয়ে আবার ছিনতাইয়ে জড়ায়। বেশিরভাগ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ভয়ে মামলা করেন না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হলে ছিনতাই প্রতিরোধ সম্ভব।

টঙ্গীর কফিল উদ্দিন রোডের ছিনতাইকারী প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজল মিয়া সমকালকে বলেন, ছিনতাইয়ে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী বছরখানেক আগেই প্রতিরোধ কমিটি তৈরি করে। এরপর লাঠিসোটা নিয়ে তারা মহল্লায় পাহারা বসায়। এতে কিছুটা সুফলও মিলেছে।(খবর সমকাল)

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited