,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু : ভুমি মন্ত্রী জাবেদ

CTG-MAP_CHITTAচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : দখল হয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অবশেষে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার থেকে এ অভিযান শুরু হবে। গত বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের একটি আদেশ রয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দের অভাবে এতদিন উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে পারেনি জেলা প্রশাসন।
তিনি বলেন, ভূমিমন্ত্রীর অর্থ বরাদ্দের আশ্বাসে আমরা উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছি। আগামি সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করা হবে।
প্রসংগত ২০১০ সালের ১৮ জুলাই পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে জনস্বার্থে হাই কোর্টে একটি রিট আবেদনে করা হয়। এর প্রেক্ষিতে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলী নদী দখল, মাটি ভরাট ও নদীতে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
আদালতের নির্দেশের পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর কর্ণফুলীর দুই তীরে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করে। নগরের নেভাল অ্যাকাডেমি সংলগ্ন নদীর মোহনা থেকে মোহরা এলাকা পর্যন্ত অংশে ২০১৫ সালে জরিপের কাজ শেষ করা হয়।
জরিপে নদীর দুই তীরে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন। প্রতিবেদনটি ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর উচ্চ আদালতে দাখিল করা হয়।
এরপর ২০১৬ সালের ১৬ অগাস্ট হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলীর দুই তীরে গড়ে ওঠা স্থাপনা সরাতে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দেয়। ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থ বরাদ্দ চেয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
এদিকে শনিবার বিকেলে নগরীর সদরঘাট পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ভুমি মন্ত্রী সাইফুজ্জমান চৌধুরী জাবেদ সাংবাদিকদের বলেন সরকারের চেয়ে প্রভাবশালী কেউ নাই। যারা দখল করে অবৈধ স্থাপনা করেছে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। না হলে কাল থেকে সব ভেঙে ফেলা হবে। দখলদার যত প্রভাবশালী হোক জায়গা থেকে সরতে হবে। কর্ণফুলী বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে তাই কর্ণফুলীকে রক্ষা করতে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। এসময় জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, উচ্ছেদ কার্যক্রমের সমন্বয়ক তাহমিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, ৫৭, সুলতান মার্কেট (তয় তলা), দক্ষিনখান, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
আঞ্চলিক অফিস : সি-১১/১৪, আমতলা মোড়, ছায়াবিথি, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা।
Design & Developed BY PopularITLimited