বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাশ করেছিল আ.লীগ: রিজভী শিগগিরই পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক : ট্রাম্প আঙ্গুলের চোটে মিরপুর টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মুশফিক বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসি : সিইসি বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসির গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার প্রস্তাব কাজীপুরে চুন শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে  পাইকগাছায় ৪ ঔষধ ফার্মেসীকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা বিরামপুরে জব ফেয়ার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্ত্রী

ভিটামিন-এ’র অভাবজনিত অপুষ্টি লাঘবে গোল্ডেন রাইস : কৃষিমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 3:34 pm, রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮

Motiaসিএনআই নিউজ : কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, জেনেটিক্যালী মডিফাইড (জিএম) বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ জৈব প্রযুক্তি প্রকৌশলের মাধ্যমে রূপান্তরিত ধান গোল্ডেন রাইস ভিটামিন-এ এর ঘাটতি পূরণে সহায়ক।

বাড়তি জনসংখ্যার জন্য খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ জনসংখ্যা যোগ হচ্ছে মোট জনসংখ্যার সাথে, অন্যদিকে দিনদিন আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উচ্চফলনশীল জাতের ফসল আজ একটি বাস্তবতা এবং সময়ের দাবি’।
কৃষিমন্ত্রী মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন।
ব্র্যাক-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: কবীর ইকরামুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রি’র মহাপরিচালক ড.মো: শাহজাহান কবীর, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: ফজলে ওয়াহেদ খোন্দকার ও ইরি’র মহাপরিচালক ড. ম্যাথিউ মোরেল।
সরকার অবশ্যই হাইব্রীড প্রযুক্তিগুলির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক রয়েছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে দেশের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে জৈবপ্রযুক্তি ফসল বিটি বেগুন-এর সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে বর্তমানে কৃষি-জৈব প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে আরো তিনটি ফসল পরীক্ষামূলকভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে। এগুলো হল- ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস, আলুর নাবী ধসা রোগ প্রতিরোধী জাত এবং বিটি তুলা।
মতিয়া চৌধুরী বলেন,‘পরিবেশগত নিরাপত্তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ি গোল্ডেন রাইসের নিয়ন্ত্রিত মাঠ মূল্যায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষাস্থলের পরিবেশ ও নিরাপদ খাদ্যমান নিশ্চিতকরণের পরীক্ষাও করা হবে’।
তিনি বলেন, ইরি ও আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্রি’কে সহায়তা করবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক ‘গোল্ডেন রাইস’ পরিবেশের জন্য এবং খাদ্য হিসেবে নিরাপদ বলে প্রত্যয়ন পেলেই কেবল কৃষক পর্যায়ে চাষাবাদের জন্য জাত হিসেবে ছাড়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ব্রি গ্রহণ করবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের কাছে ভিটামিন- এ সমৃদ্ধ অন্যান্য খাদ্য সহজলভ্য নয় কিংবা ক্রয় ক্ষমতার বাইরে তাদের মাঝে সহজেই এই ধান জনপ্রিয় হবে। গোল্ডেন রাইস ইনব্রেড বা স্বপরাগায়িত জাত বিধায় কৃষক নিজেই নিজের উৎপাদিত বীজ পরবর্তী ফসল চাষে ব্যবহার করতে পারবে’।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি)-এর নেতৃত্বে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ায় গোল্ডেন রাইসের জাত উদ্ভাবন এবং মূল্যায়নের কাজ পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর বিজ্ঞানীগণ ফলন ও রোগবালাই প্রতিরোধক্ষমতা অক্ষুণœ রেখে বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগি গোল্ডেন রাইসের জাত উদ্ভাবনে নিয়োজিত আছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com