
ক’দিন আগেও নাঈমা তার বন্ধুদের সাথে ক্লাস-পরীক্ষা, হাসি-আড্ডায় মেতে ছিল। বেশ ভালই যাচ্ছিল দিনগুলো। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, দুইটি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে তার। বর্তমানে মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশনের ৮ নম্বর কেবিনে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মেয়েটি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) বাংলা বিভাগের ৪০তম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী নাঈমা আলম। প্রতিদিন তার পেছনে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
ডাক্তারের পরামর্শানুযায়ী খুব দ্রুত তার নতুন কিডনি লাগাতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন ২০ লাখ টাকা। কিন্তু তার একমাত্র কর্মজীবী বাবার পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। বাবা মো. আবুল আলম জাবির একজন বাসচালক। নাঈমার অসহায় পরিবার মেয়েকে বাঁচাতে প্রতিনিয়ত টাকার জন্য দিগ্বিদিক ছুটছে।
সবার আর্থিক সহায়তায় নাঈমা আবার সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পারে। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা : মো. আবুল আলম, (নাঈমা আলমের বাবা) MD. Abul Alam (shahjalal Islami Bank), ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর : ৪০১৬১২১০০০৩০৫২৬, চঞ্চল (নাঈমা আলমের ভাই) ০১৭৬৭-২২২২২৯ (বিকাশ অ্যাকাউন্ট)।