বুধবার (৫ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, জুলাইযোদ্ধারা জাতীয় সম্পদ। তাদের নিয়ে রাজনৈতিক খেলা বন্ধ করতে হবে। এখনো অনেক যোদ্ধা ব্যাংককের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনেকে বিছানায় কষ্ট পাচ্ছেন। কিন্তু সরকার তাদের দিকে নজর দিচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘এই সরকারের কাছে জুলাই এবং আহত ও শহীদ পরিবারের কোনো মূল্য নেই। সরকার যদি স্বৈরাচারী আচরণ থেকে সরে না আসে, তাহলে আরেকটি জুলাই আসন্ন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের কোনো একক মাস্টারমাইন্ডে আমরা বিশ্বাস করি না। দিনমজুর থেকে শুরু করে দেশের সব নাগরিকই জুলাই আন্দোলনের অংশীদার।’
শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের আগে প্রধানমন্ত্রী জাতিকে অনেক আশার কথা শুনিয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেই আশার বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। এসব আশা কোন চোরাবালিতে হারিয়ে যাচ্ছে, তার প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হবে।
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা করছে। এমনকি সংসদেও বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এখন শুধু আপনারা (বিএনপি) জাতির সামনে প্রতারক হিসেবে নিজেদের নিবন্ধিত করবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা আরো বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে বলেই ফ্যাসিবাদ বলা হচ্ছে। এই আচরণ বন্ধ করলে জনগণ ফুল দিয়ে বরণ করবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণের রায় মেনে নিতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদ মেনে নেওয়া হবে না।