,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

আবারো লাশের মিছিল, দায়ি কে?

বিশেষ লেখা

তোফাসানি, প্রধান সম্পাদক, সিএনআই নিউজ :

বৈশাখী পরিবহন, রানাপ্লাজা, হামিম গ্রুপ, তাজরিন ফ্যাশন, নিমতলী ও এবার চকবাজার অগ্নিকান্ড। একের পর এক লাশের মিছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় আমাদের দেখতে হয় লাশ আর লাশ। আমরা এসব ঘটনায় মর্মাহত হই, অশ্রুসিক্ত নয়নে শোকাহত হৃদয় দিয়ে অনুভব করি স্বজন হারানো বেদনা।

বারবার এমন ঘটনার শিকার হয়েও আমরা এ থেকে সচেতন না হয়ে কেউ না কেউ এমন ঘটনার সূত্রপাত ঘটাই।

বারবার ভবন ধ্বস, অগ্নিকান্ড বা বড় ধরনের ঘটনায় লাশের মিছিলের জন্য দায়ী কে? দায়ী আমরা নিজেরা। কারন, দেশে আইন আছে, কিন্তু আমরা তা মানি না। অথবা আইন প্রয়োগে দূর্নীতির কারনে তার প্রয়োগ নেই।

রাস্তায় গাড়ি চালাবেন, কিন্তু ট্রাফিক আইন মানবেন না। তাহলেতো মানুষ মরবেই। একটু খেয়াল করে দেখবেন কি, কতজন চালক আমরা ট্রাফিক আইনকে মেনে চলি। চলার পথে আইন অমান্যকারী গাড়ি চালকের উদ্যত্ব আচরন চোখে পড়লেও প্রতিবাদ করিনা।

ইটভাটা গড়ে উঠছে আইন ভঙ্গ করে। আবাসিক এলাকায় কারখানা গড়ে উঠছে। নদী খনন করে বালু দস্যুরা প্রকাশ্যেই বছরের পর বছর ব্যবসা করে যাচ্ছে।  রাস্তা দখল করে বাড়ি বানাচ্ছি। আবার আমার জায়গা এতটুকু না ছেড়ে রাস্তা না রেখে বাড়ি করছি। বিস্ফোরক আইন না মেনে তেল, গ্যাস, কেমিক্যাল মজুদ করছি।

এসবের কারন হচ্ছে, আমি আমার স্বার্থ দেখছি। তাতে দেশ বা আইন কোথায় যাচ্ছে তা আমার দেখার দরকার কি? আমার টাকা, বাড়ি, গাড়ি হলেই হয়। মানুষ মরবে কি বাঁচবে তাতে কিছু আসে যায়না।

যখন কোন ঘটনায় আমরা আমাদের স্বজন হারাই, তখন কিছুদিন বিলাপ করি। আবার সব ভুলে যাই। আইন মানছিনা কেউই।

একবার নিজেকে প্রশ্ন করি, সত্যিই কি আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে?

আবাসিক এলাকায় মিল-ফ্যাক্টরী, ইটভাটা করতে অনেকগুলো ছাড়পত্র নিতে হয়। এসব ছাড়পত্র টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায়।তাইতো আবাসিক এলাকায় কেমিক্যালের গোডাউন, মিল, ফ্যাক্টরী বা প্রতিষ্ঠান করলেও কাগজে-কলমে সব ঠিক আছে।

এবার লাশের সাড়িতে যুক্ত হলো চকবাজারে ট্রাজেডি। ঝড়ে গেল এবারও অনেক প্রাণ। নিজেরা আইন না মানা আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দূর্নীতির ফসল এভাবেই ভোগ করতে হবে আমাদের।

বঙ্গবন্ধুর মানস কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। একদিনে দেশ ঠিক করা যাবেনা সত্যি। তবে, যেভাবে একের পর এক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যে সফলতার পরিচয় দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতায় দেশ দূর্নীতিমুক্ত হবে। আইন মেনে চলবে দেশের সকল জনগণ। এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন হলে আর লাশের মিছিল দেখতে হবেনা এই জাতিকে। রাজধানী থেকে চামড়া শিল্প নগরী সাভারে স্থানান্তর হয়েছে। তাহলে বাকি সব অপরিকল্পিত প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর বা আইন মেনে গড়ে উঠা সম্ভব নয় কেন?

চাই পরিকল্পিত নগরী ও আবাসস্থল। কারখানার স্থানে কারখানা হবে। আবাসিক এলাকায় আবাসন হবে। দেশকে ভালবেসে আইন মেনে চলবে সবাই। এমনটা দেশের মানুষ হতে আমাদের আর কতদিন বাকি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, বি-১১৬/১ শিকদার টাওয়ার. বাসস্ট্যান্ড, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা-১৩৪০
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : ক্রাইম নিউজ ইন্টারন্যাশনাল ( প্রা: ) লি:,
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
কপিরাইট : সিএনআই নিউজ ( নিউজ এজেন্সী )
Design & Developed BY PopularITLimited