,
news-banner-copy
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

সাত কোটি টাকার রেকর্ড ভ্যাট আদায় বাণিজ্য মেলায়

Trade-Fairসিএনআই নিউজ : ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামল গতকাল। মাসব্যাপী এ মেলার শুরুর দিকে ভ্যাট বা মূসক (মূল্য সংযোজন কর) আদায়ে মন্থরগতি থাকলেও শেষ সাত দিন গড়ে ৫০ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। এনবিআর কর্মকর্তারা দাবি করেন এবারে বাণিজ্য মেলা থেকে রেকর্ড ভ্যাট আদায় হয়েছে। আজ (গতকাল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাণিজ্য মেলা থেকে প্রায় সাত কোটি টাকার ভ্যাট আদায় হয়েছে। শেষ সময়ে মেলা থেকে রাজস্ব আদায়ে দায়িত্বরত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তার সংখ্যা দ্বিগুণ (৩০ জন) করা হয়। কর্মকর্তারা সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে স্টলে স্টলে ভ্যাট পরিশোধের তথ্য খতিয়ে দেখেন। এবার ভ্যাট ফাঁকির দায়ে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এনবিআর।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে ব্যবসাবান্ধব রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বাণিজ্য মেলায় সারা দেশের মানুষ কেনাকাটা করতে আসে। বিদেশ এবং দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পণ্য নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। মেলা থেকে রেকর্ড রাজস্ব আদায় হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান ভালো ব্যবসা করেও সঠিক হিসাবে ভ্যাট না দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মেলার শুরু থেকে ভ্যাট আদায়ে এনবিআরের ঢাকা পশ্চিম অঞ্চলের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কাজ করছে। প্রথম থেকে ভ্যাট আদায়ে এ কমিশনারেটের ১২ জন কর্মকর্তা কাজ করছেন। কিন্তু শেষ সময়ে ভ্যাট আদায়ে জোর দিতে এ কাজে কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্টলে গিয়ে বিক্রির রসিদ এবং ভ্যাট পরিশোধের চালান খতিয়ে দেখেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট পরিশোধের তথ্যে গরমিল পাওয়া গেলে হিসাব কষে সঠিক পরিমাণের রাজস্ব দিতে বলা হয়।

ঢাকা পশ্চিমের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার ড. মইনুল খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এবারের মেলাতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে সঠিক হিসাবে রাজস্ব পরিশোধ করেছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হিসাব মতো আদায়ে কাজ করেছি। আমরা সবাইকে ভ্যাট পরিশোধে উৎসাহ দিচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘গতবারে মেলা থেকে পাঁচ কোটি টাকার ভ্যাট আদায় হয়। এবার ছয় কোটি টাকার ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অতীতের সব হিসাব ছাড়িয়ে প্রায় সাত কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় হয়েছে।’

মেলায় বিক্রীত সব পণ্যের ওপর একই হারে ভ্যাট প্রযোজ্য নয়। পণ্যভেদে ৪ থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য আছে। এনবিআর থেকে গড়ে ৭ শতাংশ হারে বাণিজ্য মেলা থেকে ছয় কোটি টাকার ভ্যাট আদায়ে হিসাব করা হয়। গত কয়েক বছরে বাণিজ্য মেলায় গড়ে ১৫০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে এবং গড়ে ২৫০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গিয়েছে।

কমিশনার ড. মইনুল খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা অভিযান চালিয়ে ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ায় ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছি। এসব প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের সঠিক হিসাবে ভ্যাটের চালান দেয়নি। আবার অনেকে ক্রেতাদের কাছ থেকে হিসাব কষে ভ্যাট আদায় করলেও তা এনবিআরের কোষাগারে জমা দেয়নি। এসব ভ্যাট ফাঁকিবাজ প্রতিষ্ঠানের নামে আমরা মামলা করেছি। অনেককে জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভ্যাট পরিশোধ না করে প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানের মূল দপ্তরে যোগাযোগ করে ভ্যাট আদায় করা হবে।’

ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে ঢাকা পশ্চিম ভ্যাটের সহকারী কমিশনার ফারহানা বেগমের নেতৃত্বে একটি দল গত ২৯ জানুয়ারি মেলা প্রাঙ্গণে পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম দেখতে পান। এরপর ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আরোপিত জরিমানা ভ্যাট ফাঁকির অতিরিক্ত হিসেবে আদায় করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

VIDEO_EDITING_AD_CNI_NEWS
প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, বি-১১৬/১ শিকদার টাওয়ার. বাসস্ট্যান্ড, সোবহানবাগ, সাভার, ঢাকা-১৩৪০
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : ক্রাইম নিউজ ইন্টারন্যাশনাল ( প্রা: ) লি:,
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৮৫৬৪১৫০০০
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
কপিরাইট : সিএনআই নিউজ ( নিউজ এজেন্সী )
Design & Developed BY PopularITLimited